ডেস্ক রিপোর্ট: সাম্প্রতিক বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের পর বন্দর উপজেলার কলাগাছিয়া ইউনিয়নে উদ্বেগজনক হারে মাদক ব্যবসার বিস্তার ঘটেছে। একসময় স্বৈরাচারী সরকারের আমলে মাদকের বিরুদ্ধে সক্রিয় অভিযান পরিচালিত হলেও বর্তমানে সেই তৎপরতা প্রায় নেই বললেই চলে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিরব ভূমিকায় কলাগাছিয়া ইউনিয়নের আদমপুর চৌরাস্তা, জিওধরা, কল্যান্দি, মাধবপাশা, আলিনগর সাবদী এলাকায় নতুন করে মাদকের রমরমা ব্যবসা গড়ে উঠেছে। আর এ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে জিওধরা এলাকার আলতাব প্রধানের ছেলে বাদশা ও মানিক।
বর্তমান সময়ে পরিস্থিতি কিছুটা পরিবর্তিত হলেও মাদকের সমস্যা রয়ে গেছে আগের মতোই। ছাত্র আন্দোলনের পর ক্ষমতার পালাবদলে মাদক সিন্ডিকেটের নেতৃস্থানীয়রা বদলালেও ব্যবসা বন্ধ হয়নি। অভিযোগ রয়েছে, এক সময় যারা ক্ষমতাসীন দলের ছত্রছায়ায় মাদক ব্যবসা চালাতেন, তারা এখন বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের সহযোগিতায় এই অবৈধ কার্যক্রম পরিচালনা করছেন বলে জানান স্থানীয় বাসিন্দারা।
অভিযোগ রয়েছে, এক সময় স্বৈরাচারী সরকারের দোসররা এখন কৌশলে রাজনৈতিক পরিচয় বদলে একই মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। পুলিশের নজরদারি কম থাকায় বাদশা ও মানিক আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে বলে অভিযোগ করেন স্থানীয়রা। কলাগাছিয়ায় শীর্ষ মাদক সম্রাট ব্লাক জনির মতোই শীর্ষ পর্যায়ে নাম উঠে আসে তাদের। যার ফলে এলাকায় দিনরাত মাদকসেবীরা এলাকায় ঘুরাফেরা করে।
সচেতন মহল মনে করছে, যদি দ্রুত মাদকবিরোধী অভিযান চালানো না হয়, তবে বন্দর পুরোপুরি মাদকের কবলে চলে যেতে পারে। রাজনৈতিক দলের ছত্রছায়ায় মাদকের বিস্তার ঠেকাতে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আরও সক্রিয় হতে হবে এবং জনগণের সহযোগিতায় এই ভয়াবহ পরিস্থিতির সমাধান করতে হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।